বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
          আল-উলামা ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র

ভূমিকা

ইসলাম পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক এবং প্রগতিশীল এক জীবনব্যবস্থার নাম। ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে যারাই আশ্রয় নিয়েছে তারাই পেয়েছে শান্তি, নিরাপত্তা, অগ্রগতির প্রকৃত ঠিকানা। সময় এবং কালের প্রবাহে ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে বিভাজন, ভ্রান্তির বিকাশ, সাময়িক অসুবিধার সৃষ্টি করেছে। আজ মুসলমানরা সত্যিকার পথ নির্দেশনা থেকে বঞ্চিত। বিশ্বের অগ্রগতিতে মুসলমানদের অবদান সবচেয়ে বেশি। শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতিতে মুসলমানদের তুল্য কোনো শক্তি নেই। এরপরও আজ বিশ্বে কেন এত অশান্তি? কেন এত অরাজকতা? তার অন্যতম কারণ সত্যিকার মুসলমানদের নেতৃত্বের আসন থেকে বিচ্যুতি। সময়ের প্রেক্ষাপটে আজ আমরা এটা তীব্রভাবে অনুভব করছি যে, বিশ্বঅগ্রগতির স্বার্থেই বর্তমান মুসলিম তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ তারুণ্যের আছে অজেয়কে জয় করার অদম্য সাহস। তরুণরা অপেক্ষাকৃত নির্লোভ ও সৎ হয়। এজন্য আজ তাদের জেগে উঠতে হবে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে। জ্বলে উঠতে হবে একবুক বেদনা আর উম্মাহর দরদ নিয়ে।

ধারা নং ০১: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
             অর্থঃ পরম করুণাময় অতীব দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

ধারা নং ০২: ইহা একটি সামাজিক, অরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আলেম- উলামা ফাউন্ডেশন।

ধারা নং ০৩: ফাউন্ডেশনের নাম:
(বাংলায়) আল-উলামা ফাউন্ডেশন
(আরবীতে) العلماء فاؤنديشان
(ইংরেজী) Al-Ulama Foundation

ধারা নং ০৪: ফাউন্ডেশনের অস্থায়ী ঠিকানা:
(ক) দর্গাভিটা বাজার,নোয়াবাদ,করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ 
(খ) অফিস বা কার্যালয়:
অস্থায়ী কার্যালয়: নূরুল কোরআন কওমী হাফিজিয়া মাদ্রাসা দর্গাভিটা বাজার, নোয়াবাদ , করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ,

স্থায়ী কার্যালয়: কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে সুবিধা মত স্থানে স্থায়ী কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে।
(গ) ফাউন্ডেশনের কার্যালয় পরিবর্তনঃ কোন কারণ বসতঃ ফাউন্ডেশনের কার্যালয় পরিবর্তন করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে ফাউন্ডেশনের সদস্যদের অবশ্যই লিখিতভাবে জানাতে হবে।

ধারা নং ০৫: ফাউন্ডেশন স্থাপনের  তারিখঃ ০১/০১/২০২৪ ঈ.

ধারা নং ০৬: আদর্শ: 
ক. কোরআন সুন্নাহ ও সাহাবায়ে কেরামের জীবন গঠন।
খ. স্বদেশ প্রেম ও দেশের উন্নয়ন।
গ. আদর্শ মানব ও সমাজ গঠন।

ধারা নং ০৭: লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
ক. আলেম উলামা ও দ্বীনদার শ্রেণির সমন্বয়ে একটি আদর্শ সুদ বিহীন হালাল অর্থ ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে ইহকালীন ও পরকালীন সফলতা লাভ করা।

খ. মূল উদ্দেশ্য সঞ্চয় তবে কার্যনির্বাহী কমিটির  সর্বসম্মতিক্রমে বিনিয়োগ করা যেতে পারে।

ধারা নং ০৮: নিয়মাবলী:
ক. ভর্তির সময় জমা ৫২০/- (পাঁচশত বিশ টাকা)
খ. বার্ষিক জমা ২০০০/- (দুই হাজার টাকা) এবং বার্ষিক জমি ক্রয়ের টাকা যা শাওয়াল মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে ।
গ. মাসিক সঞ্চয় ৫২০/- (পাঁচ শত বিশ টাকা) যা প্রতি মাসের ১ম শুক্রবার মধ্যে জমা দিতে হবে ,৫০০৳ মূলধন থাকবে এবং ২০৳ গোরাবা তহবিলে চলে যাবে।
ঘ. পরপর তিন মাস সঞ্চয় না দিলে কার্যনির্বাহী কমিটি যে কোনো সিদ্বান্ত নিতে পারবে।
ঙ. সকল লেনদেন রশিদের মাধ্যমে করতে হবে। জমাকৃত টাকা পাশ বইয়ের মধ্যে নিজ দ্বায়িত্বে উঠিয়ে নিতে হবে। বছরে অন্তত দুইবার দ্বায়িত্বশীলের সাথে যোগাযোগ করে মূল লেজারের সাথে হিসাব মিলিয়ে নিতে হবে।
চ. মেয়াদ কমপক্ষে পাঁচ বছর বা অধিক হতে পারে, অনাগত কারণে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে চলে যেতে চাইলে মূলধন ফেরত পাবে এবং মেয়াদ শেষে লভ্যাংশ পাবে অথবা কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গন্য হবে। কিন্তু দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে অথবা মৃত্যুবরণ করিলে উপস্থিত মূলধন সহ লভ্যাংশ পাবে।

ধারা নং ০৯: ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা: কার্যনির্বাহী কমিটির মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও কার্য পরিচালনা হবে।

ধারা নং ১০: কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অবশ্যই ইমাম বা আলেম হতে হবে এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা সর্বমোট ১১ জন। যারা ফাউন্ডেশনে মূল ভিত্তি। 

কার্যনির্বাহী পরিষদের পদ ও বিবরণ:
ক. সভাপতি ১ জন
খ. সহ-সভাপতি ১ জন
গ. সাধারণ সম্পাদক ১ জন
ঘ. সহ-সাধারণ সম্পাদক ১ জন
ঙ. সাংগঠনিক সম্পাদক  ১জন
চ. প্রচার সম্পাদক ১ জন
ছ. সহ-প্রচার সম্পাদক ১ জন
জ. অর্থ সম্পাদক ১ জন 
ঝ. সহ-অর্থ সম্পাদক ১ জন
ঞ. কার্যকরী সদস্য ২ জন

ধারা নং  ১১: কার্যকরী কমিটির প্রত্যেকের ক্ষমতার বিবরণঃ

         (ক) সভাপতিঃ তিনি নিম্নলিখিত ক্ষমতার অধিকারী হবেন।
             ১) তিনি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী প্রধান বা চেয়ারম্যান বিবেচিত হবেন।
              ২) সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
              ৩) সভার আহবান করার জন্য প্রয়োজনে সাধারণ সম্পাদক কে নির্দেশ প্রদান করবেন।
              ৪) নিজেই সভা আহবান করবেন।
              ৫) ফাউন্ডেশনের যাবতীয় কার্যাবলী পরিদর্শন করবেন।
              ৬) ফাউন্ডেশনের যাবতীয় কাগজপত্র, দলিল, দস্তাবেজ নিজ জিম্মাদারিতে পরিপূর্ণ হেফাজত করবেন।

          খ, সহ-সভাপতিঃ তিনি যাবতীয় কাজে সভাপতিকে সহযোগিতা করবেন এবং সভাপতির অনুপস্থিতিতে তার যাবতীয় কার্য পরিচালনা করবেন। তবে সভাপতির অনুমতি ছাড়া কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন না।

          গ, সাধারণ সম্পাদকঃ তিনি নিম্নলিখিত বিষয়ে অধিকারী হবেন।
              ১) ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা প্রদানকারী, প্রয়োগকারী  এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশক।
              ২) তিনি ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন এবং ফাউন্ডেশনের পক্ষে  অন্য কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান/সংস্থার সাথে চুক্তি নামায় স্বাক্ষর করবেন।
              ৩) বার্ষিক রিপোর্ট প্রণয়ন, উপস্থাপন, আয়-ব্যয়, কর্ম-পরিকল্পনা, সাধারণ সভা, কার্যনির্বাহী সভায় উসস্থাপন করবেন এবং তা অনুমোদন করিয়ে নিবেন।
              ৪) অনুমোদন সাপেক্ষে সকল কর্মকান্ড পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করবেন।
              ৫) যাবতীয় বিল ভাউচার অনুমোদন করবেন।
              ৬) তিনি কার্য নির্বাহী কমিটির পক্ষে বিভিন্ন দাতা সংস্থা নিকট প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রেরণ ও অনুমোদন এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
              ৭) ফাউন্ডেশনের উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড সম্প্রসারণের জন্য নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থাপন পূর্বক অনুমোদন করিয়ে নিবেন।

          ঘ, সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ  তিনি সেক্রেটারি এর অনুপস্থিতিতে আর্থিক লেনদেন ছাড়া সেক্রেটারির সকল দায়-দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি তার কাজের জন্য সভাপতি ও সেক্রেটারির নিকট দায়ী থাকবেন।

ঙ.সাংগঠনিক সম্পাদকঃ একজন সাংগঠনিক সম্পাদকের কাজ হল ইভেন্ট, মিটিং এবং অন্যান্য কার্যক্রম সুষ্ঠু ও দক্ষতার সাথে চালানো নিশ্চিত করা।
তারা স্থান, পরিবহন, থাকার ব্যবস্থা এবং খাবারের মতো সরবরাহের পরিকল্পনা এবং সমন্বয়ের জন্য দায়ী। একজন সাংগঠনিক সম্পাদক ইভেন্টগুলির জন্য সময়সূচী এবং এজেন্ডা তৈরি করে, নিবন্ধন সিস্টেম সেট আপ করে এবং যোগাযোগের চ্যানেলগুলি পরিচালনা করে।
এই কাজের জন্য যোগ্যতা অর্জনের জন্য, প্রার্থীদের অবশ্যই চমৎকার সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বিস্তারিত মনোযোগের পাশাপাশি শক্তিশালী যোগাযোগ এবং আন্তঃব্যক্তিক ক্ষমতা থাকতে হবে। তাদের ইভেন্ট পরিকল্পনা এবং পরিচালনার অভিজ্ঞতাও থাকা উচিত এবং কঠোর সময়সীমা এবং চাপের মধ্যে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা উচিত।

চ. প্রচার সম্পাদকঃ তিনি ফাউন্ডেশনের যাবতীয় সভা, ইস্যু, বিধিনিষেধ, কার্যাবলী সকল সদস্যের নিকট পৌঁছিয়ে দিবেন। সংস্থার যেকোন প্রচারমূলক কার্যক্রমেও মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন। তিনি তার কাজের জন্যে সভাপতি ও সেক্রেটারির নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন।

 ছ. সহ প্রচার সম্পাদকঃ তিনি সকল কাজে প্রচার সম্পাদকের সহযোগিতা করবেন। প্রচার সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তার দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি তার কাজে প্রচার সম্পাদকের নিকট দায়ী থাকবেন।

 জ. অর্থ সম্পাদকঃ ফাউন্ডেশনের যাবতীয় আদায়কৃত টাকা গচ্ছিত রাখবেন। সভাপতি ও সেক্রেটারির মাধ্যমে সভায় পাশকৃত সেক্টরে ব্যয় করবেন বা ব্যাংকে জমা রাখবেন। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব নিকাশ সংরক্ষন করবেন। যাবতীয় হিসাব-নিকাশের জন্য দায়ী থাকবেন।
 ঝ. সহ-অর্থ সম্পাদকঃ অর্থ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে ফাউন্ডেশনের যাবতীয় আদায়কৃত টাকা গচ্ছিত রাখবেন। সভাপতি ও সেক্রেটারির মাধ্যমে সভায় পাশকৃত সেক্টরে ব্যয় করবেন বা ব্যাংকে জমা রাখবেন। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব নিকাশ সংরক্ষন করবেন। যাবতীয় হিসাব-নিকাশের জন্য দায়ী থাকবেন।
ঞ. কার্যকরী সদস্যঃ সিদ্ধান্ত গ্রহণ: কার্যনির্বাহী সদস্যরা কমিটির দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তারা নীতিমালা বাস্তবায়ন, কর্মসূচি প্রণয়ন এবং সম্পদের বরাদ্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরিচালনা: কার্যনির্বাহী সদস্যরা কমিটির সার্বিক পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন।

ধারা নং  ১১: ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন প্রকারের সভাঃ
         ক. সাধারণ সভা
         খ. কার্যনির্বাহী পরিষদ সভা
         গ. জরুরি সভা

ধারা নং   ১২: সভার নিয়মাবলী ও বিবরণী:
         ক, সাধারণ সভাঃ সকল সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা কমপক্ষে ১০ দিন পূর্বে আহবান করতে হবে। সদস্যদের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে এই সভার কোরাম হবে।
        খ, কার্যনির্বাহী কমিটির সভাঃ এই সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির ১১ জন উপস্থিত থাকবেন। এই সভার অনুষ্ঠিত হওয়ার কমপক্ষে ০৭ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করে সভা আহবান করতে হবে। কার্যকরী নির্বাহী পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হবে।
         গ, জরুরি সভাঃ ২৪ ঘন্টার নোটিশে এই সভা আহবান করা যাবে। তবে নোটিশে স্থান, সময়, বিষয় ইত্যাদি অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে। ব্যক্তিগত ভাবে সকল সদস্যদের নিকট সংবাদ পৌঁছাতে হবে। এই প্রকার সভা জরুরী কোন প্রয়োজনেই সভাপতির অনুমতিক্রমে অনুষ্ঠিত হতে পারে। সভাপতি নিজেও এই সভা আহবান করতে পারেন।

ধারা নং ১৩: অডিট বা নিরিক্ষাঃ ফাউন্ডেশনের আয়-ব্যয় যথাযথ সংরক্ষনের জন্য ক্যাশ বহি, খতিয়ান, আয়-ব্যয়ের হিসাব, সদস্য বহি, কার্য বিবরণী বহি, পরিদর্শন বহি ও অন্যান্য বহি থাকতে পারে। প্রতিবছর ফাউন্ডেশনের দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট দফতর কর্তৃক অডিট করিয়ে নিতে হবে।

ধারা নং ১৪:  ফাউন্ডেশনের জন্য ক্রয়কৃত জমি রেজিস্ট্রি করলে সদস্যদের পরামর্শক্রমে সদস্যদের মধ্য থেকে যে কোন ৩( তিন)  জন বা আরো বেশি সদস্যদের নামে রেজিস্ট্রি করা হবে।

ধারা নং ১৫: ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুরু করার পর নতুন কোন সদস্য যুক্ত হতে চাইলে সে ক্ষেত্রে মূলধন এবং যদি কোন কাজে বিনিয়োগ হয় সেক্ষেত্রে বিনিয়োগকৃত টাকার লাভ সহ সদস্য হতে হবে ।

ধারা নং ১৬: কোন কার্যকরী সদস্য যদি তার সদস্য পদ বিক্রি করতে চায় সে ক্ষেত্রে শুধু মাত্র কার্যকরী সদস্যদের নিকট বিক্রি করতে পারবে।

ধারা নং ১৭:কোন সদস্য যদি গঠনতন্ত্রের বহির্ভূত কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহন করে তাহলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গন্য হবে।
 
ধারা নং ১৮: কোন সদস্যদের ব্যক্তিগত কোন  জটিলতা বা আইনী কারনে সমস্যা হলে উক্ত সমস্যার দায়ভার ফাউন্ডেশন বহন করবেনা।

ধারা নং ১৯:বিবিধ.......